কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)

ঢাকেশ্বরীর ইতিকথা প্রিয়াঙ্কা সিংহ: বল্লাল সেন রাজা হওয়ার পর নিজের জন্মস্থানকে মহিমান্বিত করার জন্য একটি মন্দির নির্মাণ করেন। কিংবদন্তী আছে তিনি একবার জঙ্গলে আচ্ছাদিত দেবতার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তারপর সেই দেবতার সন্ধান পান এবং সেই স্থানে মন্দির নির্মাণ করেন।যেহেতু মূর্তিটি তিনি আচ্ছাদিত বা ঢাকা অবস্থাতে পান, তাই এই মূর্তিটির নাম দেয়া হয় ঢাকেশ্বরী।আমরা অনেকেই কুমারটুলি সর্বজনীনContinue reading “কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)”

কলকাতার ফেরিওয়ালা

প্রিয়াঙ্কা সিংহ: কলকাতায় এখন ফ্ল্যাট বাড়ির সংখ্যা অনেক বেশি। এসব বাড়িতে ফেরিওয়ালাদের প্রবেশাধিকার নেই। দোকান থেকে বাড়িতে বিনা পয়সাতে জিনিস পৌঁছান দোকানদার। আর আজ-কাল তো অনলাইনেই সব কিছু পৌঁছায় বাড়িতে। কিন্তু ভাবতে অবাক লাগে, আজ থেকে একশ বছর আগে এই ফেরিওয়ালারাই ছিল শহর কলকাতার এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ!উনিশ শতকের কলকাতায় সকাল থেকে শুরু হয়ে যেত ফেরিওয়ালারContinue reading “কলকাতার ফেরিওয়ালা”

কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)

কলকাতা বিক্রির গল্প প্রিয়াঙ্কা সিংহ: বড়িশার সবর্ণ চৌধুরীরা ছিলেন অত্যন্ত প্রাচীন পরিবার। আগেই বলে রাখি, এই পরিবারের কারোর নামই ‘সাবর্ণ’ ছিল না। লোকশ্রুতি এই যে, এই পরিবারের সকলের গায়ের রঙ ছিল ধবধবে ফর্সা। এই কারণে তাদের ‘সাবর্ণ’ বলা হত। এঁরা ছিলেন ব্রাহ্মণ বংশের। কলকাতা,সুতানুটি ও গোবিন্দপুর ছিল এঁদের জমিদারি। আর বর্তমান লালবাজার এলাকায় ছিল এদেরContinue reading “কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)”

কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)

কবিতীর্থ প্রিয়াঙ্কা সিংহ: মূলত মধুসূদন, রঙ্গলাল ও হেমচন্দ্র এই তিন কবির স্মৃতি বিজড়িত খিদিরপুর কালক্রমে কবিতীর্থ নামে আদৃত হচ্ছে। মধুসূদনের পিতা মুন্সি রাজনারায়ণ দত্ত অধিকতর উন্নতি ও অর্থ উপার্জনের আশায় যশোহর ত্যাগ করে কলকাতায় এসে অতি অল্প সময়ের মধ্যে প্রভূত উন্নতি করেন। ক্রমশ খিদিরপুর বড় রাস্তার ওপর একটা প্রকাণ্ড বাড়ি কিনে ফেলেন। হিন্দু কলেজের মেধাবীContinue reading “কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)”

কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)

মহারাজা রাজবল্লভ প্রিয়াঙ্কা সিংহ: সিরাজ উদ্ দৌলা বাংলার নবাব নাজিম হওয়ার পূর্বে নবাব সরকারের বকশী অর্থাৎ ফৌজদারের বাহিনীর বেতনদাতা ছিলেন মহারাজা দুর্লভরাম। তাঁর পিতা মহারাজা জানকীরামকে দিল্লির বাদশাহ পাটনার সুবাদার নিযুক্ত করেছিলেন। এঁরা ছিলেন জাতিতে কায়স্থ, বাংলার সম্ভ্রান্ত সোম পরিবারভুক্ত। এই মহারাজ দুর্লভরামের পুত্র মহারাজা রাজবল্লভ বাহাদুর রায়রায়াণ। পিতা ও পিতামহের প্রভাবে মহারাজা রাজবল্লভ নবাবContinue reading “কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)”

কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)

কবিরাজ গঙ্গাপ্রসাদ সেন কলকাতার অন্য সমস্ত পাড়া থেকে এই পাড়া একটু আলাদা করে চেনা যায়। এখানে আসলে বোঝা যায় এটা কোন ঋতু, শরৎ না শ্রী পঞ্চমী।কত যে শিল্পীর ঘর সংসার। কুমারটুলির ঘিঞ্জি গলি থেকে অনায়াসেই এর ১৭ নং বাড়িটা নেওয়া যায় আলাদা করে। এই বাড়ির পূর্বপুরুষ বাবু গঙ্গাপ্রসাদ। গঙ্গাপ্রসাদ ছিলেন গত শতকের বাংলাদেশর প্রবাদপ্রতিম চিকিৎসক।Continue reading “কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)”

কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)

নিধুবাবু ও পক্ষীর দল প্রিয়াঙ্কা সিংহ: নিধুবাবু ওরফে রামনিধি গুপ্তের (১৭৪১-১৮৩৯) বর্গীর হাঙ্গামার সময় মাতুলালয় হুগলীতে জন্ম।হাঙ্গামা মিটলে ১৭৪৭ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার কুমারটুলিতে পৈতৃক নিবাসে ফেরেন। এখানে জনৈক পাদ্রির কাছে ইংরেজি শেখেন। ১৭৭৬ খ্রিষ্টাব্দে কোম্পানীর অধীনে কাজ নিয়ে চিরণছাপরায় যান এবং সেখানে এক মুসলিম গায়কের কাছে হিন্দুস্থানী টপ্পা শেখেন। ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ফিরে বাংলা টপ্পা গানContinue reading “কলকাতার গুপ্ত কথা(ধারাবাহিক)”