৯০ বছরে পা রাখলেন ‘সুরের রাণী’ লতা মঙ্গেশকর

লিপা চক্রবর্তী, আগামী কলরব: নব্বইতম জন্মবার্ষিকীতে সমগ্র দেশবাসীর শুভেচ্ছায় ভাসলেন সুর-সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর। ১৯২৯ সালের ২৮ শে সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন লতাজী। পিতা দ্বীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন একাধারে মারাঠি যাত্রামঞ্চের অভিনেতা, গীতি- নাট্য পরিচালক এবং হিন্দুস্থানী ক্লাসিক্যাল গায়ক।

লতা মঙ্গেশকর শুধুমাত্র সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে প্রসিদ্ধ নন, সেইসঙ্গে সঙ্গীত পরিচালক এবং প্রযোজক হিসেবেও তিনি অত্যন্ত পরিচিতি লাভ করেন।

তিনি ৩৬ টির বেশি ভাষায় পঁচিশ হাজারেরও অধিক গান গেয়েছেন বলে সূত্রে জানা যায়।

অভিনেতা রাজ কাপুরের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করছেন

সুদীর্ঘ গৌরবময় সঙ্গীত জীবনে অজস্র সম্মান এবং পুরস্কার লাভ করেন তিনি; সেইসব সম্মান এবং পুরস্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– ১৯৬৯ সালে প্রাপ্ত পদ্মভূষণ, ১৯৯৯ সালে পদ্মবিভূষণ, ১৯৯৭ তে মহারাষ্ট্র ভূষণ সম্মান, এন.টি.আর জাতীয় পুরস্কার(১৯৯৯), এ.এন.আর জাতীয় পুরস্কার(২০০৯), সেইসঙ্গে ২০০১ সালে লাভ করেন ভারতের শ্রেষ্ঠ নাগরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’। তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এবং বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কারে ভূষিত হন। এছাড়াও তিনি সেরা মহিলা সংগীত-শিল্পী হিসেবে চারবার চলচ্চিত্র উৎসব পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে সম্মানিত হন চলচ্চিত্র উৎসব আজীবন কৃতী সম্মাননা পুরস্কারে।

লতা মঙ্গেশকর ‘সুরের রাণী’, ‘জাতির কণ্ঠ’, সহস্র বছরের কন্ঠ’, ‘ভারতের পাপিয়া পাখি’ ইত্যাদি নানা উপাধিতে সমান জনপ্রিয়।

১৯৪৮ থেকে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত লতাজী একক,যুগ্ম এবং সম্মিলিত কণ্ঠে ২০ টি আঞ্চলিক ভাষায় পঁচিশ হাজারের অধিক গান গান, যা গিনেস বুকে এক অনতিক্রম্য রেকর্ড হিসেবে স্থান লাভ করে। এই কিংবদন্তী শিল্পীর নব্বইতম জন্মদিনে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে ‘জাতির কন্যা‘ সম্মাননা প্রদানের কথা ঘোষণা করেছে।

–ঋদ্ধিমান রায় কর্তৃক অনূদিত

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out /  Change )

Google photo

You are commenting using your Google account. Log Out /  Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out /  Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out /  Change )

Connecting to %s